1. live@bntv24live.com : BN TV 24LIVE : BN TV 24LIVE
  2. info@www.bntv24live.com : BN TV 24LIVE :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন

ক্রয়কৃত জমিতে স্থাপনা নির্মাণ বাধা কচুয়ার পাথৈর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধ, দখল বুঝে পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা

প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

কচুয়া প্রতিনিধিঃ

 

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ২নং পাথৈর ইউনিয়নের পাথৈর গ্রামে ক্রয়কৃত জমির দখল বুঝে পাওয়া নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জমির দখলে রয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার,তবে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণ করতে গেলে বাধার সম্মুখীন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজন দুলাল,জাকির ও বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে। এদিকে জমির কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং নিজেদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি বুঝে পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন পরিবারের সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১৮নং পাথৈর মৌজার বি.এস. ৪১৬ ও ১৬৭৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত এবং হাল দাগ নম্বর ১৫৩০ ও ১৫২৯-এর জমি নিয়ে এ বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, বিভিন্ন সময়ে নিবন্ধিত সাফ-কবলা ও বিনিময় দলিলের মাধ্যমে জমি ক্রয় করে তাঁরা মালিকানা অর্জন করেছেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট জমির কিছু অংশ অন্যের নামে নামজারি ও জমা খারিজ হওয়ায় তাঁরা জটিলতায় পড়েছেন।

লিখিত আবেদনে শহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট জমি বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি ও হস্তান্তর হয়েছে। তাঁর দাবি, দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করা জমির মধ্যে ১৫৩০ নম্বর দাগে ২ শতক এবং ১৫২৯ নম্বর দাগে আড়াই শতক জমির নামজারি-সংক্রান্ত রেকর্ড সংশোধন করা প্রয়োজন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট নামজারি ও জমা খারিজের রেকর্ড যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা জমি দখলে রয়েছেন। নিজেদের ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে স্থাপনা নির্মাণ বা দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষ জাকির হোসেন, দুলাল হোসেন ও বিল্লাল হোসেনের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয় বলে তাঁদের অভিযোগ। তাঁদের দাবি, বিনিময় দলিলের বিষয়টি গোপন করে জমির কিছু অংশের নামজারি করা হয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট খারিজের বৈধতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও রহমত উল্যাহ সহ পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাঁরা আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। জমির কাগজপত্র এবং সংশ্লিষ্ট দলিলাদি সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণের মাধ্যমে তাঁদের ক্রয়কৃত জমি বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
তারা আরো বলেন ক্রয়কৃত জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করার জন্য তারা মালামাল ক্রয় করেছেন কিন্তু প্রতিপক্ষের বাধা ও নিষেধাজ্ঞা থাকায় এসব মালামাল নষ্ট হয়ে অনেক ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান তারা।

স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশীও জমির বিরোধটি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় কোনো পক্ষেরই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত মালিককে তাঁর প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের দুলাল হোসেনের বক্তব্য, তাঁরা নিয়ম অনুযায়ী জমির নামজারি ও খারিজ করেছেন এবং তাঁদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান। আদালতের রায় যা হবে, তাঁরা তা মেনে নেবেন বলে দাবি করেন তিনি।

এ অবস্থায় জমির দলিল, খতিয়ান, নামজারি ও জমা খারিজের নথিপত্র যাচাই করে বিরোধের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!