
কুমিল্লার বরুড়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৩ কিশোরকে আটক করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মধ্যে ১৮ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মামলায় আরও ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
বরুড়া থানা পুলিশ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মোট ২৩ কিশোরকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই-বাছাই করে ১৮ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুইজন, এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত একজনকে জিআর সাজা গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে, একজনকে সিআর গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আরও একজনসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন—মোঃ রাকিব হাসান (২৭), ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি, পিতা মৃত আব্দুল করিম, এবং মোঃ ইলিয়াছ (৩৫), ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক, পিতা মৃত মোঃ ইসমাঈল হোসেন। তারা দুজনই বরুড়া উপজেলার ৫ নম্বর ঝলম ইউনিয়নের বিলপুকুরিয়া এলাকার বাসিন্দা।
এছাড়া এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মোঃ শাহীনকে জিআর সাজা গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বরুড়া উপজেলার ধনিশ্বর দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
সিআর গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ সোহেল মিয়া (৩০), পিতা আলী আজগর, খলারপাড় এলাকার বাসিন্দা, তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় মেহেদী হাসান টিটু (৩৪), পিতা আব্দুস সাত্তার, বরুড়া উপজেলার ৯ নম্বর দক্ষিণ শিলমুড়ি ইউনিয়নের ফলকামুড়ি এলাকার বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বরুড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।