তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল; বন্যা ও নদীভাঙনের আতঙ্কে চরবাসী
প্রতিনিধি
প্রকাশিত:
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
২৯
বার পড়া হয়েছে
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল; বন্যা ও নদীভাঙনের আতঙ্কে চরবাসী
উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি, ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে উজানের ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টির কারণে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীতীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে ফসলি জমি। বন্যা ও নদীভাঙনের আশঙ্কায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। রোববার (২৮ জুন) রাত ৯টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানির স্তর রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ২৫ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। অর্থাৎ নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ছয়টি...
45
উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি, ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে
উজানের ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টির কারণে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীতীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে ফসলি জমি। বন্যা ও নদীভাঙনের আশঙ্কায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।
রোববার (২৮ জুন) রাত ৯টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানির স্তর রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ২৫ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। অর্থাৎ নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের অন্তত ৮ থেকে ১০টি চর ও নিম্নাঞ্চলে বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। নদীর পানি আরও বাড়তে থাকলে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
তিস্তা ডালিয়া পয়েন্টের পানির স্তর পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার রায় বলেন, উজানের ঢলের কারণে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিস্তার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে তিস্তার পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, ফলে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি এবং নদীভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।