
মোঃ ফখরুল মোস্তফা নোয়াখালী
নোয়াখালী জেলার শস্য ভান্ডার বলা হয়ে থাকে সুবর্ণচর উপজেলাকে। এখানে কৃষক-কৃষাণীর অক্লান্ত পরিশ্রমে উৎপাদন হয় সোনালী ফসল।
উপজেলার বেশির ভাগ ইটভাটা গড়ে উঠেছে চর আমান উল্লাহ ইউনিয়নে। যার ফলে ফসল উৎপাদনে কৃষক তেমন সুফল পাইনা। ইটভাটার বিষাক্ত ধোয়া, ভাটা গুলোর মাটি সংগ্রহে কৃষি জমির টপসয়েল কাটা, গ্রামীণ সড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচলে বেহাল দশা বেশির ভাগ সড়কের।
ঔই সব দুঃখ কষ্ট দেখে সোশ্যাল মিডিয়াতে পূনরায় গড়ে উঠা যমুনা নামের ভাটার সামনে গিয়ে লাইভে আসে সচেতন এক সাহসী যুবক। দ্রুত সময়ে লাইভটি ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে যমুনা ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চুল্লি ও চিমনি গুঁড়িয়ে দেন।
বৈধ লাইসেন্স ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া পরিচালিত উক্ত ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে চুল্লি ও চিমনি ভেঙে কার্যক্রম বন্ধ করে দিলো উপজেলা প্রশাসন।
আজ (৩০ সেপ্টম্বর) দুপুরে উপজেলার চর আমানউল্লাহ ইউনিয়নের মেসার্স যমুনা ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন, সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আকিব ওসমান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ছেনমং রাখাইন।
ইউএনও আকিব ওসমান জানান, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন লঙ্ঘন করে তিন ফসলি জমিতে ইটভাটার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিলো। ভাটাটির লাইসেন্স ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছিল না।
ভাটার মালিক পক্ষকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভাটার চুল্লি ও চিমনি ভেঙে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও আরও বলেন, পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কোনো অবৈধ স্থাপনা পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, ভূমি অফিসের স্টাফ,চরজব্বার থানা-পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সার্বিক সহায়তা করেছেন।