
মোঃ ফখরুল মোস্তফা নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
নোয়াখালী সুবর্ণচরে এইচএসসি ও সমমান আলিম পরিক্ষার ৬২৮ নং চরজুবিলী পরিক্ষা কেন্দ্রে পরিক্ষা দিতে পারেনি ওয়াহিদুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় চরজুবিলী রব্বানীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানকে দ্বায়ী করে সুবর্ণচর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওয়াহিদুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী।
২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দুপুর ২ টায় সুবর্ণচর উপজেলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওয়াহিদুল ইসলাম ও তার বাবা চরজুবিলী রব্বানীয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক নজরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে পরিক্ষার্থী ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ২ জুলাই ২০২৬ সালে সারাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়া এইচএসসি ও সমমান আলিম পরিক্ষার ৬২৮ নং চরজুবিলী পরিক্ষা কেন্দ্রে পরিক্ষা দিতে পারেনি ওয়াহিদুল ইসলাম যার রেজিষ্ট্রেশন নং ১৯১৮৬৮১৯২১। চরজুবিলী রব্বানীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ প্রতিহিংসা এবং প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে প্রবেশপত্র আটকে রেখে ২০২৬ আলিম পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে দেয়নি৷
ওয়াহিদুল ইসলামের পিতা একই মাদ্রাসার শিক্ষক তিনি বলেন, আজ ২৬ বছর ধরে এ মাদ্রাসায় আমি শিক্ষকতা করছি, আব্দুর রহমান বিভিন্ন সময় নানা অনিয়ম দূর্ণিতী করলে একাধিকবার শিক্ষার্থীরা আন্দোলন, প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে তিনি এসবের সাথে আমরা জড়িত থাকার সন্ধেহে এখন কৌশল করে আমার ছেলেকে আলিম পরিক্ষা দিতে দেয়নি আমি একজন বাবা হিসেবে একজন শিক্ষক হিসেবে এটা মেনে নিতে পারিনা৷ এসময় তিনি অঝোরে কাঁদতে থাকেন। এসময় তিনি সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকিব ওসমান, সুবর্ণচর উপজেলা শিক্ষা অফিসার, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক, নোয়াখালী জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে চরজুবিলী রব্বানীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানের বিচার চান।
এই বিষয়ে চর জুবিলী রাব্বানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ওবায়দুল ইসলাম আমার কাছে আসে নাই আমি আমার অফিস সহকারী সাইফুল ইসলামকে আগের দিন রাত্রে এডমিট কার্ড দিয়ে দিয়েছি এবং তার কাছেও যায় নাই অভিযোগটি মিথ্যা বানোয়াট,
এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শারমিন আক্তার কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি এই বিষয়ে অবগত নয় আপনার কাছ থেকে প্রথম শুনলাম, ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।