পাবনায় পুলিশের কাছ থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন কর্মী-সমর্থকরা, ধস্তাধস্তি
প্রতিনিধি
প্রকাশিত:
শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
৩০
বার পড়া হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত
পাবনায় পুলিশের কাছ থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন কর্মী-সমর্থকরা, ধস্তাধস্তি
পাবনার বেড়ায় পুলিশের কাছ থেকে সোহেল রানা নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বেড়া মডেল থানার পাশে থানা পাড়ার কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় অভিযান চালায় বেড়া মডেল থানা পুলিশ। এ সময় এসআই রাশেদ ও এএসআই সোহেল রানার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়...
44
পাবনার বেড়ায় পুলিশের কাছ থেকে সোহেল রানা নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বেড়া মডেল থানার পাশে থানা পাড়ার কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় অভিযান চালায় বেড়া মডেল থানা পুলিশ। এ সময় এসআই রাশেদ ও এএসআই সোহেল রানার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বাধা দেন। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে সোহেল রানাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান কর্মী-সমর্থকরা।
সোহেল রানা বেড়া পৌরসভার শম্ভুপুর কাগমাইর এলাকার মৃত খন্দকার আয়নুল হকের ছেলে। তিনি বেড়া পৌর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বলে জানা গেছে।
বেড়া মডেল থানার ওসি নয়ন কুমার বলেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তিনি স্টেডিয়াম এলাকায় অবস্থান করছেন—এমন খবরের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তাকে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন পুলিশের কাজে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে তাকে ছিনিয়ে নেন।
ওসি আরও বলেন, সোহেল রানাকে পুনরায় গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের কাছ থেকে একজন পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে কীভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হলো, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।