মোঃ ফখরুল মোস্তফা নোয়াখালী
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তৃতীয়বারের মতো শিক্ষার্থীরা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালীতে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যে আরও কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ আট শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালীতে পাঠানো হয়।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ সময় একজন অভিভাবক ও হাসপাতালের একজন কর্মীও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে অসুস্থদের মধ্যে একজনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মাত্র নয় দিনের ব্যবধানে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা তিনবার ঘটায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
গত ১৪ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল জানিয়েছিলেন, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সাথে কথা বলে শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ থাকার বিষয়টি জানা গেছে। তবে কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সর্বশেষ ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা কেন বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছে, তা দ্রুত অনুসন্ধান করে কারণ শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
সম্পাদক : মোঃ জহির , উপদেষ্টা : জসিম উদ্দিন খোকন ,বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: ফোন: 𝟎𝟏𝟔𝟐𝟗𝟏𝟎𝟎𝟗𝟐𝟔
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: ফোন: 𝟎𝟏𝟔𝟎𝟖𝟔𝟗𝟕𝟖𝟗𝟗
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত