1. live@bntv24live.com : BN TV 24LIVE : BN TV 24LIVE
  2. info@www.bntv24live.com : BN TV 24LIVE :
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন

সুয়াগাজি ফরেস্ট চেক স্টেশনে আবারও আবুল কালাম—চাঁদাবাজির অভিযোগে সরব বন বিভাগ

প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে
16

কুমিল্লা প্রতিনিধি:


কুমিল্লা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) জি. এম. মোহাম্মদ কবিরের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতায় বন বিভাগের বিধি-বিধান উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ এক নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ ফরেস্ট চেক স্টেশনে দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বনজ পণ্যবাহী যানবাহন থেকে কাগজপত্র (টিপি) যাচাইয়ের নামে প্রকাশ্যে অর্থ আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

অভিযোগে জানা যায়, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বন বিভাগের নিম্নপদস্থ কর্মচারী আবুল কালাম আজাদ বাবুলকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজি ফরেস্ট চেক স্টেশনে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে বনজ পণ্যবাহী যানবাহনের কাগজপত্র যাচাইয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।

বন বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলীয় প্রভাবের কারণে আবুল কালাম আজাদ বাবুল প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। তার বড় ভাইয়ের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের একাধিক চেক স্টেশনে দায়িত্ব পালন করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, এসব স্থানে দায়িত্ব পালনের সময় বনজ পণ্যবাহী গাড়ির কাগজপত্র যাচাইয়ের আড়ালে নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, এর আগে সুয়াগাজি চেক স্টেশনে দায়িত্ব পালনকালে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তাকে কুমিল্লা থেকে ফেনী বন বিভাগে বদলি করা হয়। সেখানে প্রায় এক বছর দায়িত্ব পালনের পর তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের এক কর্মকর্তার সহায়তায় পুনরায় কুমিল্লায় বদলি হয়ে আসেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, কুমিল্লায় ফিরে এসে তিনি ডিএফও জি. এম. মোহাম্মদ কবিরকে প্রভাবিত করে আবারও সুয়াগাজি ফরেস্ট চেক স্টেশনে পদায়ন নেন। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে তিনি ওই স্টেশনে দায়িত্ব পালন করছেন।

যোগদানের পর থেকেই স্টেশন কর্মকর্তা নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিটি বনজ পণ্যবাহী গাড়ি থেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনাটি ঘিরে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—সরকারি চাকরিতে বহাল থেকেও কীভাবে একজন কর্মচারী প্রকাশ্যে একটি রাজনৈতিক দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের পদধারী নেতা হিসেবে সক্রিয় থাকতে পারেন? রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে কীভাবে তিনি বারবার নিজ জেলায় বদলি হয়ে গুরুত্বপূর্ণ চেক স্টেশনে দায়িত্ব পাচ্ছেন—তা নিয়েও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে সুয়াগাজি চেক স্টেশনে আবুল কালাম আজাদ বাবুলের যোগদান ও চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য জানতে কুমিল্লার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জি. এম. মোহাম্মদ কবিরের সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে লিখিতভাবে অবহিত করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!