অনলাইন ডেক্স
দেশের বিভিন্ন জেলায় ভয়াবহ বজ্রপাতে একদিনে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, বগুড়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় এসব মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কলেজশিক্ষক, কিশোর, কৃষিশ্রমিক, গৃহবধূ ও তরুণ শ্রমিক। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। জেলার সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় বজ্রপাতে তিন নারীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। শিবগঞ্জ উপজেলায় আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান তিনজন। নিহতদের পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ময়মনসিংহে পৃথক ঘটনায় এক কলেজশিক্ষকসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। গফরগাঁওয়ে বাড়ির আঙিনায় ধানের কাজ করার সময় সিয়াম (২৮) বজ্রপাতে নিহত হন। অন্যদিকে মুক্তাগাছায় মসজিদের নির্মাণকাজ তদারকি করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ হারান গাবতলী ডিগ্রি কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এএসএম খালেকুল আজাদ (৫৬)।
নীলফামারীর ডিমলায় নিজ বাড়ির পাশে বজ্রপাতে আলম ইসলাম (৪০) নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় সেরিনা বেগম নামে এক গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নে ট্রাক্টরের কাজে ব্যবহারের জন্য বেলচা আনতে গিয়ে বজ্রপাতে শাহাদাত হোসেন (১৯) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় মরিচ ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে রাব্বি হোসেন (১৫) নামে এক কিশোর নিহত হয়। একই ঘটনায় তার মা মনিকা বেগম গুরুতর আহত হয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নান্দবার গ্রামে বাড়ির ছাদে বসে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে নাফিজ আহমেদ শান্ত (২৮) নিহত হন। আহত হয়েছেন তার চাচাতো ভাই নাহিদ (২৩)। বজ্রপাতের আঘাতে পাশের একটি নারিকেল গাছেও আগুন ধরে যায়।
স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে এসব মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, গাছের নিচে ও উঁচু স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সম্পাদক : মোঃ জহির , উপদেষ্টা : জসিম উদ্দিন খোকন ,বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: ফোন: 𝟎𝟏𝟔𝟐𝟗𝟏𝟎𝟎𝟗𝟐𝟔
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: ফোন: 𝟎𝟏𝟔𝟎𝟖𝟔𝟗𝟕𝟖𝟗𝟗
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত