
মোঃ ফখরুল মোস্তফা নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
হাতিয়ায় নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপির কর্মী সমর্থকদরে উপর হামলা। বাড়ী ঘরে লুটতরাজ। অনেক কর্মীকে খোজে বের করে পিঠানো। কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে নিয়ে আটক করা। বিএনপির কর্মীদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তল্লাশি সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেন নোয়াখালী-৬ হাতিয়ার বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম।
শুক্রবার বিকালে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলেনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। তিনি আরো বলেন প্রথম থেকে নৌবাহিনী ও কোষ্টগার্ড পক্ষপাত মুলত আচারন করে আসছে। তারা বিএনপির কর্মীদের নাম ধরে ধরে মাইকিং করে খোজে খোজে নির্যাতন করেছে। তারা নির্বাচনের আগের দিন রাতে ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি করেছে। একধরেন ভিতিকর পরিবেশ তৈরি করে।
নির্বাচনের আগের দিন বুড়িরচরের একজন মেম্বার, পৌরসভার কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে আসে। পরে অনুরোধ করার পর ছেড়ে দেয়। এতে জনমনে ভিতি তৈরি হয়।
এছাড়া তারা নির্বাচনের পরে নিঝুমদ্বীপে বিএনপির নেতাদের বাড়ীতে গিয়ে তল্লাশি করে। যুবদল নেতা মোতালেবকে পিঠিয়ে আহত করে। প্রতিটি বাজারে দাড়িয়ে দাড়িয়ে তারা বিএনপির কর্মীদের নাম ধরে ধরে খোজে। তাদের সাথে এসময় এনসিপির কর্মীরা থেকে সহযোগিতা করে।
নৌবাহিনীর উপস্থিথিতিতে গত কয়েকদিন হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ, জাহাজমারা, চরকিং ও নলচিরাতে এনসিপির নেতাকর্মীরা বিএনপিরে কর্মীদের দুইশত বাড়িতে হামলা করে।
তিনি এই বিষয়ে হাতিয়ার দায়িত্ব প্রাপ্ত নৌ- কন্টিজেন্ট কমান্ডর আলী হায়দার কে দায়ি করেণ। নৌবাহিনীর এধরনের আচারনে সূযোগ পেয়ে এনসিপির কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির কর্মীদের উপর হামলা করে। তাদের হামলায় আহত অনেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ভর্তি অবস্থায় আছেন বলে জানান তিনি।
এসব বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। না হয় যেকোন পরিস্থিতির জন্য প্রশাসন দায়ি থাকবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেণ নোয়াখালী-৬ হাতিয়ার ধানের শীষের প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কারী আলা উদ্দিন রনি, উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা। তবে এসময় সংবাদ সম্মেলনের এক পাশে বসা ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত বিএনপির ১০ জন নারী পুরষ কর্মী সমর্থক।