মফিজুল ইসলাম বাবুল: কচুয়া
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেছেন, “আপনারা হিন্দু বলে নিজেদের কোনো ভয় মনে করবেন না। কচুয়ায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অন্যায়কারীদের কোনো স্থান হবে না। আপনারা স্বাধীনভাবে ও নির্বিঘ্নে চলাফেরা করবেন এবং নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন। এবারের দুর্গাপূজায় কচুয়ায় আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশা করি, আপনারা সবাই সেই বরাদ্দ পেয়েছেন। অতীতে এত বড় বরাদ্দ পেয়েছেন কি না, তা আমার জানা নেই।”
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর নিজ বাসভবনের মিলনায়তনে উপজেলার ৩৯টি পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রীর বক্তব্যের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ বলেন, “অতীতে আমরা এ ধরনের বরাদ্দ পাইনি। আপনার বরাদ্দ করা অর্থ ও চাল কচুয়ার ৩৯টি পূজামণ্ডপে উপজেলা প্রশাসন এবং আপনার নেতাকর্মীরা সঠিকভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি তারা সার্বক্ষণিক আমাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন।”
মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন নিরাপদে ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি কিংবা অন্যায় কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও সহযোগিতাপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এবং শিক্ষামন্ত্রীর সহধর্মিনী নাজমুন নাহার বেবি, কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাছিরসহ বিএনপি ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলনের পক্ষ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের জন্য উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শাড়ি পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
সম্পাদক : মোঃ জহির , উপদেষ্টা : জসিম উদ্দিন খোকন ,বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: ফোন: 𝟎𝟏𝟔𝟐𝟗𝟏𝟎𝟎𝟗𝟐𝟔
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: ফোন: 𝟎𝟏𝟔𝟎𝟖𝟔𝟗𝟕𝟖𝟗𝟗
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত